বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রকাশিত: বুধবার, জানুয়ারী ২৮, ২০২৬
দেশে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে যেকোনো দেশের সহায়তা বাংলাদেশ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চীনের সহায়তায় সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপন চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে কোনো দেশের সাহায্য নিতেই পারে, এতে অন্যের কিছু করার নেই।
দেশে আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) বা ড্রোন উৎপাদন, সংযোজন কারখানা স্থাপন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জি-টু-জি (সরকারি পর্যায়ে) কাঠামোর আওতায় চীনের রাষ্ট্রমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। ঢাকা সেনানিবাসের বিমান বাহিনী সদর দফতরে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
এদিকে ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই বলেও জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার বিষয়ে কোনো সংকেত বা শঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘পরিবারকে চলে যেতে বলতেই পারেন। এর কোনো শঙ্কা নেই, সংকেত আছে কি না জানি না। তবে নিরাপত্তার তেমন কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।’
তিনি বলেন, বড় কোনো গোলযোগ তো দূরের কথা, ছোটখাটো মারামারি বা ধাক্কাধাক্কির কোনো ঘটনাও ঘটেনি।
উপদেষ্টা জানান, নিরাপত্তা নিয়ে ভারত এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্বেগের কিছু জানায়নি। তিনি বলেন, ‘ভারত যখনই নিরাপত্তা চেয়েছে, তখন আমরা তা দেয়ার চেষ্টা করেছি।’
বর্তমানে দেশে কোনো গন্ডগোল হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই মূলত গন্ডগোলের কথা বলছে। উপদেষ্টা আরও জানান, ভারত থেকে কোনো সাংবাদিক যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আসতে চান, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ভিসার ব্যবস্থা করবে।